এক নজরে চীনের সামরিক শক্তি

আর্ন্তজাতিক সংবাদ

লাদাখের গালওয়ান ভ্যালিতে ভারত ও চীনের সেনাবাহিনীর মধ্যে সংঘর্ষে সোমবার রাতে দু‌’পক্ষেই বেশ কয়েকজন সেনা হতাহত হওয়ার পর দুই দেশের মধ্যে সামরিক উত্তেজনা যেন হঠাৎ বহুগুণ বেড়ে গেছে। চীন এবং ভারতের মধ্যে বড় ধরণের সম্মুখ লড়াই হয়েছিল একবারই, ১৯৬২ সালে। ওই যুদ্ধের পর বিগত দশকগুলোতে এশিয়ার এই দুটি দেশ বিপুল সমরাস্ত্র সম্ভার গড়ে তুলেছে, পরমাণু শক্তিধর দুই দেশের মধ্যে বৈরিতাও বেড়ে চলেছে। দুটি দেশেরই বিপুল অস্ত্রসম্ভার রয়েছে এবং এসব অস্ত্রশস্ত্র বেশ আধুনিক। গত ২০ বছর ধরে দুটি দেশ শুধু নিজেরাই সমরাস্ত্র তৈরি করেনি, একই সঙ্গে অস্ত্র আমদানিও করেছে। বিশেষ করে ভারত পরপর পাঁচ বছর বিশ্বের সবচাইতে বেশি অস্ত্র আমদানিকারক দেশের স্থান দখল করেছিল। যুক্তরাষ্ট্র, রাশিয়া এবং ইসরায়েল থেকে তারা অনেক অত্যাধুনিক অস্ত্র এনেছে। তারা নিজেরাও বিদেশি প্রযুক্তি এনে নিজেরা অস্ত্র তৈরি করেছে। একইভাবে চীন রাশিয়া থেকে কিছু অস্ত্র কিনেছে, কিন্তু বেশিরভাগ অস্ত্র তারা এখন নিজেরা উৎপাদন করে।

এক নজরে চীনের সামরিক শক্তি: 
সামরিক শক্তির ব়্যাঙ্কিংয়ে ভারতের চেয়ে এক ধাপ এগিয়ে চীন। যুক্তরাষ্ট্র ও রাশিয়ার পরে, অর্থাৎ এ তালিকায় তিন নম্বরে রয়েছে দেশটি। 
চীনের সেনাসদস্য রয়েছে মোট ২১ লাখ ২৩ হাজার। রিজার্ভ সৈন্য ৫ লাখ ১০ হাজার
চীনের প্রতিরক্ষা বাজেট ২ হাজার ৩৭০ কোটি ডলার
তাদের এয়ারক্রাফট রয়েছে ৩ হাজার ২১০টি। 
চীনের যুদ্ধজাহাজ রয়েছে ৭৭৭টি, ভারতের ২৮৫টি।
চীনের রয়েছে ১ হাজার ২৩২টি যুদ্ধবিমান
চীনের হেলিকপ্টার ৯১১টি
চীনের ট্যাংক রয়েছে ৩ হাজার ৫০০টি
চীনের সাঁজোয়া যানবাহনের সংখ্যা ৩৩ হাজার
চীনের স্বয়ংক্রিয় আর্টিলারি রয়েছে ৩ হাজার ৮০০টি
চীনের ফিল্ড আর্টিলারি ৩ হাজার ৮০০টি
চীনের রকেট প্রজেক্টর ২ হাজার ৬৫০টি
চীনের সাবমেরিন সংখ্যা ৭৪টি
চীনের বিমানবাহী জাহাজ রয়েছে দু’টি
চীনের ৩৬টি ডেস্ট্রয়ার রয়েছে। 
চীনের ফ্রিগেট সংখ্যা ৫২টি
চীনের রণতরি ৫০টি
চীনের মোট ৫০৭টি বিমানবন্দর রয়েছে
চীনেরর নৌবন্দর ও টার্মিনাল রয়েছে ২২টি। সূত্রঃ বাংলাদেশ প্রতিদিন।

Leave a Reply

Your email address will not be published.