কুরবানীর মাসায়েল

মাসায়েল শিক্ষা

প্রশ্ন: কার উপর কুরবানী ওয়াজিব? উত্তর: সুস্থমস্তিষ্ক, সাবালক,মুসলমান,মালিকে নিসাব এর উপর কুরবানী ওয়াজিব। মালিকে নিসাব এর বিবরন- ১০,১১ ও ১২ই জিলহজ এই তিন দিনের মধ্যে যে ব্যক্তির নিকট ৫৭,৭৫০টাকা বা এই পরিমান ব্যবসায়ী মাল (সংসারের খরচ বাদে) অথবা স্বর্ণ -অলংকার মজুদ থাকে তাকেই কুরবানীর উপযুক্ত মালিকে নিসাব বলে।

প্রশ্ন: মোটা – তাজা, বড় ও দামী বকরীতে কয়জনে মিলে কুরবানী দেওয়া জায়েজ? উত্তর: বকরী যতই মোটা-তাজা,বড় বা দামী হউক না কেন এক বকরীতে এক জনের বেশী লোক মিলে কুরবানী দেওয়া যাবে না।

প্রশ্ন: অনেক ধন-সম্পত্ত্বির মালিক যাকে আমরা কোটিপতি বলে থাকি তার উপরকি একাধিক ভাগ বা একাধিক পশু কুরবানী দেওয়া আবশ্যক? উত্তর: না, কোটি পতি হলেও এক গরুর একভাগ বা একটি বকরী কুরবানী দেওয়া বৈধ। তার জন্য কুরবানীর বিধানের কোন আধিক্য নেই।

প্রশ্ন: পাঠা দিয়ে কুরবানী কি জায়েজ হবে? উত্তর: অবশ্যই জায়েজ হবে। নর,মাদী,পাঠা যে কোন ধরনের বকরী দিয়ে কুরবানী জায়েজ হবে।

প্রশ্ন:ঈদের দিনে হাস,মুরগী বা কবুতর এই জাতীয় কোন প্রাণি জবাই করা কি নিষেধ? উত্তর: না, নিষেধ নয়। যাদের কুরবানীর সামর্থ নেই অথবা সামর্থবান লোক কুরবানীর পাশাপাশি কোন প্রয়োজনে হাস,মুরগী বা এই জাতীয় কোন দু-পায়া বা ছোট প্রাণী ঈদের দিনে বা আইয়্যামে উজহিয়্যাতে ( ঈদের দিনসহ আও দুই দিন) জবাই করতে পারে , তবে অবশ্যই কুরবানীর নিয়তে নয়, কারণ এ সব প্রাণী দ্বারা কুরবানী বৈধ নয়।

Leave a Reply

Your email address will not be published.