নারীর বিষয়ে মহানবী সা. এর পাঁচ উপদেশ

আমাদের ইসলাম

Day

Night


স্নেহার্দ্র সুইজা: জীবন সাজাতে মানবতার নবী মুহাম্মাদুর রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের ভূমিকা অনন্য ও অতুলনীয়। তার বাণীগুলো আজও মুমিনের হৃদয় আলোড়িত করে। দেখায় সত্যের পথ। তাই সাজাতে আসুন আমরা নারীদের নিয়ে তাঁর চিরকল্যাণকর কিছু উপদেশ জেনে আসি।

হযরত আবু উমামা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত। নবী করিম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন- কোনো মুমিনের জন্য আল্লাহর তাকওয়া অর্জনের পর নেককার স্ত্রীর চেয়ে কল্যাণকর কিছু নেই। কারণ স্বামী তাকে আদেশ করলে সে আনুগত্য করে, তার দিকে দৃষ্টিপাত করলে সে (স্বামী) মুগ্ধ হয়। তাকে নিয়ে শপথ করলে সে তা (শপথকৃত কর্ম) পূরণ করে। স্বামীর অনুপস্থিতিতে নিজেকে (অন্যায়-অপকর্ম থেকে) এবং স্বামীর সম্পদ সংরক্ষণ করে। -সুনানে ইবনে মাজাহ: ১৮৫৭

হযরত সাওবান রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, সোনা-রূপা সম্পর্কিত আয়াত নাযিল হলে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে জিজ্ঞাসা করা হল, ইয়া রাসূলাল্লাহ! আমরা কোন ধরনের মাল সঞ্চয় করব? তিনি বলেন, তোমাদের প্রত্যেকেই যেন সঞ্চয় করে কৃতজ্ঞ অন্তর, যিকিরকারী মুখ এবং পরকালীন কর্মকান্ডে সহায়তাকারিনী মুমিনা নারী। -মুসনাদে আহমদ: ২৩১০১, জামে তিরমিযী: ৩০৯৪, সুনানে ইবনে মাজাহ : ১৮৫৬

হযরত আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে জিজ্ঞাসা করা হল, নারীদের মধ্যে কোন নারী উত্তম। তিনি বলেন, স্বামী যাকে দেখলে আনন্দবোধ করে, যাকে আদেশ করলে আনুগত্য করে, স্ত্রীর বিষয়ে এবং সম্পদের ব্যাপারে স্বামী যা অপছন্দ করে তা থেকে বিরত থাকে।-মুসনাদে আহমদ: ৭৪২১, সুনানে নাসায়ী কুবরা: ৮৯৬১

হযরত আবু হুরায়রা আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, উত্তম স্ত্রী সে, যার প্রতি দৃষ্টিপাত করলে তোমাকে আনন্দিত করে, আদেশ করলে আনুগত্য করে, তুমি দূরে থাকলে তার নিজের ব্যাপারে এবং তোমার সম্পদের ব্যাপারে তোমার অধিকার রক্ষা করে। তারপর তিনি কুরআনের উক্ত আয়াত (পুরুষ নারীদের অভিভাবক) তেলাওয়াত করেন।-তাফসীরে তবারী: ৯৩২৯, মুসনাদে ত্বয়ালিসী: ২৩২৫

হযরত আবু সাঈদ খুদরী আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত। রাসূলে কারিম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, তিন গুণের যেকোনো একটি গুণের কারণে নারীকে বিবাহ করা হয় : ধন-সম্পদের কারণে, রূপ-সৌন্দর্যের কারণে ও দ্বীনদারির কারণে। তুমি দ্বীনদার ও চরিত্রবানকেই গ্রহণ কর।-মুসান্নাফ ইবনে আবী শাইবা: ১৭৪৩৪, মুসনাদে আহমদ: ১১৭৬৫, সহীহ ইবনে হিববান: ৪০৩৪

সূত্র: আওয়ার ইসলাম।

Leave a Reply

Your email address will not be published.