প্রতিদিনের জীবনে মহানবী (সা.)-এর সুন্নত

আমাদের ইসলাম হক কথা

নামাজের জন্য অপেক্ষা করা– আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেন, আমি কি তোমাদের বলব না, আল্লাহ তাআলা কী দিয়ে গুনাহ মুছে দেন এবং মর্যাদা বাড়িয়ে দেন? সাহাবারা বললেন, হে আল্লাহর রাসুল! হ্যাঁ (বলে দিন)। তিনি বললেন, কষ্ট থাকার পরও ভালোভাবে অজু করা, মসজিদের দিকে বেশি কদম ফেলে যাওয়া এবং এক নামাজ শেষ করে পরবর্তী নামাজের জন্য অপেক্ষা করা। আর এটাই হলো ‘রিবাত’ (প্রস্তুতি)।(সুনানে তিরমিজি, হাদিস : ৫১)

ধীরস্থিরতার সঙ্গে  নামাজে যাওয়া– আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, ‘যখন সালাত শুরু হয়, তখন দৌড়ে গিয়ে সালাতে যোগদান করবে না, বরং হেঁটে গিয়ে সালাতে যোগদান করবে। সালাতে ধীরস্থিরভাবে যাওয়া তোমাদের জন্য অপরিহার্য। কাজেই জামাতের সঙ্গে সালাত যতটুকুু পাবে আদায় করবে, আর যা ছুটে যায় পরে তা পূর্ণ করে নেবে।’(সহিহ বুখারি, হাদিস : ৯০৮)

মসজিদে প্রবেশের সময়  দোয়া পাঠ করা– আবু উসাইদ (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেন, যখন তোমাদের কেউ মসজিদে প্রবেশ করে যেন এই দোয়া পড়ে—উচ্চারণ : আল্লাহুম্মাফতাহ লি আবওয়াবা রহমাতিক, অর্থ : হে আল্লাহ! আমার জন্য আপনার রহমতের দ্বার উন্মুক্ত করুন।(সহিহ মুসলিম, হাদিস : ১৬৫২)

মসজিদ থেকে বের হওয়ার  সময় দোয়া পড়া– আবু উসাইদ (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেন, আর (যখন কেউ) মসজিদ থেকে বের হয় সে যেন পাঠ করে—উচ্চারণ : আল্লাহুম্মা ইন্নি আসয়ালুকা মিন ফাদলিক, অর্থ : হে আল্লাহ! আমি আপনার কাছে আপনার অনুগ্রহ প্রার্থনা করছি।(সহিহ মুসলিম, হাদিস : ১৬৫২)। সূত্রঃ কালের কণ্ঠ।

Leave a Reply

Your email address will not be published.