প্রধানমন্ত্রীর দীর্ঘায়ু কামনায় ছাত্রলীগের দোয়া মাহফিল

ভিন্ন খবর সংবাদ

১২ তম কারামুক্তি দিবসে আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দীর্ঘায়ু কামনায় ছাত্রলীগ এক বিশেষ দোয়া মাহফিলের আয়োজন করে।

বৃহস্পতিবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় জামে মসজিদে বাদ যোহর এই দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। এতে উপস্থিত ছিলেন ছাত্রলীগের সভাপতি আল নাহিয়ান খান জয় ও সাধারণ সম্পাদক লেখক ভট্টাচার্য।এসময় ছাত্রলীগের সভাপতি বলেন, ১৯৭৫ এ পুরো পরিবারকে হারানোর পর থেকে শেখ হাসিনা তার রাজনৈতিক জীবনে বারবার ষড়যন্ত্রের শিকার হয়েছেন। রাষ্ট্রের নীপিড়নের শিকার হয়েছেন। তবে তার আপোসহীনতার কারণেই তিনি রাজনীতিতে নিজের ইতিহাস গড়ে তুলতে পেরেছেন।

আল-নাহিয়ান খান জয় বলেন, বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা বিনির্মাণে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে পেয়ে আমরা গর্বিত। তার নেতৃত্বে দেশ উন্নয়নের উচ্চ সোপানে পৌঁছে যাচ্ছে। তার জন্য ছাত্রলীগ সব সময় নিবেদিত ছিল, ইনশাল্লাহ ভবিষ্যতেও থাকবে। আমরা দেশরত্ন শেখ হাসিনার সুস্বাস্থ্য ও দীর্ঘয়ু কামনা করি।

এদিকে, সন্ধ্যার ৭টার দিকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জগন্নাথ হল উপাসনালয়ে এক বিশেষ প্রার্থনা সভার আয়োজন করা হয়। এ সময় ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক লেখক ভট্টাচার্য বলেন, বঙ্গবন্ধুর কন্যা শেখ হাসিনা ক্ষমতায় আছেন বলেই আজ পুরো বিশ্বে বাংলাদেশ মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়েছে। করোনা সঙ্কট মোকাবিলায় শুরু থেকেই ক্লান্তিহীন পরিশ্রম ও কার্যকরী নির্দেশনা দিয়ে যাচ্ছেন বলেই বিশ্বে অন্যান্য দেশের তুলনায় বাংলাদেশ এখনও কিছুটা ভালো অবস্থানে রয়েছে।

তিনি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দীর্ঘায়ু ও সুস্বাস্থ্য কামনা করে বলেন, শেখ হাসিনার হাতে থাকলে দেশ, পথ হারাবে না বাংলাদেশ। তার নেতৃত্বে করোনা মোকাবেলা করেই দেশকে আমরা আরও উন্নতির মহীসোপানে নিয়ে যাব।

প্রসঙ্গত, সেনা সমর্থিত ১/১১ তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময় ২০০৭ সালের ১৬ জুলাই কারাবন্দি হন তৎকালীন বিরোধী দলীয় নেতা ও আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা। ১১ মাস কারাভোগের পর ২০০৮ সালের ১১ জুন সংসদ ভবন চত্বরে স্থাপিত বিশেষ কারাগার থেকে মুক্তি পান শেখ হাসিনা।

কারাগারে থাকাকালে শেখ হাসিনা অসুস্থ হয়ে পড়েন। তখন চিকিৎসার জন্য তাকে মুক্তি দেয়ার দাবি ওঠে বিভিন্ন মহল থেকে। আওয়ামী লীগসহ অন্যান্য অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের ক্রমাগত চাপ, আপোসহীন মনোভাব ও অনড় দাবির পরিপ্রেক্ষিতে তৎকালীন তত্ত্বাবধায়ক সরকার শেখ হাসিনাকে মুক্তি দিতে বাধ্য হয়।সূত্রঃ বাংলাদেশ প্রতিদিন

Leave a Reply

Your email address will not be published.