ফ্লয়েড হত্যা: ৮ম দিনেও বিক্ষোভে উত্তাল যুক্তরাষ্ট্র

আর্ন্তজাতিক সংবাদ

জর্জ ফ্লয়েড হত্যার প্রতিবাদে টানা আট দিন ধরে বিক্ষোভে উত্তাল যুক্তরাষ্ট্র। কারফিউয়ের মধ্যেই চলছে প্রতিবাদ-সংঘর্ষ। ধরপাকড় চালিয়ে যাচ্ছে পুলিশও। এ পর্যন্ত আটক করা হয়েছে ৭ হাজারের বেশি আন্দোলনকারীকে। এদিকে সেনা মোতায়েনের মধ্যেই ওয়াশিংটনের লিংকন মেমোরিয়ালে আন্দোলনকারীরা বড় ধরনের একটি শান্তিপূর্ণ সমাবেশ করেছে।

কারফিউ উপেক্ষা করে, জর্জ ফ্লয়েডের হত্যাকারীদের বিচারের দাবিতে চলছে বিক্ষোভ। বর্ণবাদের নামে নিরীহ মানুষ নির্যাতন বন্ধের প্রতিবাদ জানায় আন্দোলনকারীরা।বিজ্ঞাপন

এর মধ্যেই প্রকাশ পেয়েছে ফ্লয়েডের ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন। সেখানে তার মৃত্যুকে হত্যা হিসেবে উল্লেখ করেছে কর্তৃপক্ষ। ফ্লয়েডের পরিবারের আইনজীবীর দাবি, কেবল ডেরেক চাউভিন নয় অন্য পুলিশ সদস্যরাও তার মৃত্যুর জন্য দায়ী। এরপর আরো ফুঁসে ওঠে বিক্ষোভকারীরা।

বিক্ষোভ দমাতে কারফিউ জারি করেও কাজ হয়নি। নিউ ইয়র্ক, লস অ্যাঞ্জেলেস, মিসৌরিতে পুলিশের সঙ্গে আন্দোলনকারীদের ব্যাপক সংঘর্ষ হয়। চলছে লুটপাট ও অগ্নিসংযোগ। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে ছোঁড়া হয় পিপার স্প্রে ও রাবার বুলেট।

সহিংসতা বন্ধে দেশটির ২৬ রাজ্যে মোতায়েন রয়েছে ন্যাশনাল গার্ডের কয়েক হাজার সদস্য। বাড়তি সদস্য মোতায়েন হচ্ছে ওয়াশিংটন ডিসি, নিউজার্সি, নিউইয়র্ক, ওহাইয়ো, উটাহ ও ইন্ডিয়ানায়। ওয়াশিংটন ডিসিতে কারফিউ ভেঙ্গে বিক্ষোভ চলার সময় সামরিক হেলকিপ্টার টহল দিতে দেখা যায়।

এছাড়াও, ফ্লয়েড হত্যার প্রতিবাদে বিক্ষোভ হয়েছে যুক্তরাজ্য, নিউজিল্যান্ড, অস্ট্রেলিয়া, ব্রাজিলসহ বিভিন্ন দেশে। লন্ডনে বিক্ষোভের সময় পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষ হয়।

এদিকে নিজ দেশের নাগরিকদের বিরুদ্ধে সহিংসতায় উদ্বেগ জানিয়ে তা বন্ধে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে ইরান ও চীন।

Leave a Reply

Your email address will not be published.