বয়স্করা কী আজ সমাজের বোঝা?

ভিন্ন খবর

নবীজী বলেছেন, যারা বড়দের সম্মান করেনা, ছোটদের স্নেহ করে না তারা আমার উম্মত না।

নিজের জীবন যৌবন, পরবর্তি প্রজন্মদের জন্য বিলিয়ে ‍দিয়ে, নিজের সুখ-সাধনা উজাড় করে বয়সের ভারে যারা বয়বৃদ্ধ তারা আজ নিদারুনভাবে লাঞ্চিত।বয়সের কারণে মহামারী করোনা থেকে আত্মরক্ষা করেতে যারা প্রাণপণ লড়াই করে চলছে। মহারী করোনায় সারা বিশ্বের বয়স্করা যখন পুরাপুরি পর্যদস্তু। তারাই কেন আজ সামাজিক লাঞ্চনার শিকার।তাহলে বয়স্করাই কী আজ সমাজের বোঝা হয়ে গেছে? তুচ্ছ-তাচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে তাদের উপর কেন অবর্ণনীয় নির্যাতন।পৃথিবী কী তাহলে নষ্ট হয়ে গেল?

আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল ট্রাম্প ও ব্রাজিলের প্রেসিডেন্ট জায়ের বলসোনারোরা বয়স্কদের মৃত্যুতে খুশি। তাদের তালে তাল মিলিয়ে বাংলাদেশের কিছু অমানুষও যেন বয়স্ক নিধনের উৎসবে মেতে উঠেছে-নিচে কয়েকটি চিত্র তুলে ধরা হয়েছে-

গত ২৪ মে ঈদের আগের দিন বিকালে চকরিয়া উপজেলার ঢেমুশিয়ার ছয়কুড়িটিক্কা পাড়ার হায়দার বাপের দরগাহ এলাকায় এ ঘটনাটি ঘটে। আনছুর আলম নামের এক যুবকের নেতৃত্বে নুরুল আলম নামের এক বৃদ্ধকে পূর্বশক্রতার জের ধরে এ ঘটনা ঘটানো হয়। এসময় ওই বৃদ্ধকে লুঙ্গি খুলে দিয়ে শার্ট ছিঁড়ে দেয়া হয়। একই সময় ওই বৃদ্ধকে কিল-ঘুষি মেরে নির্যাতন চালানো হয়।

বরিশালের মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলায় মসজিদের ইমাম শহিদুল ইসলামকে জুতার মালা পরিয়ে ঘোরানোর ঘটনা ঘটায় দড়িচর খাজুরিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোস্তফা রাঢ়ি ।দড়িচর খাজুরিয়া মাদরাসার একাধিক শিক্ষক জানান, ২০১৯ সালে উপবৃত্তি পাওয়া মাদরাসার শিক্ষার্থীদের অভিভাবকদের মোবাইল হিসাব নম্বর পাঠানো হয়। তালিকা পাঠানোর সময় ৬ষ্ঠ শ্রেণির এক ছাত্রী মাদরাসায় না আসায় সেখানে শহিদুল ইসলাম তার মোবাইল নম্বর দিয়ে দেন। সম্প্রতি ওই ছাত্রীর এক বছরের উপ বৃত্তির ১৮শ টাকা ওই মোবাইল নম্বরে জমা হয়। বিষয়টি শহিদুল ইসলাম ওই ছাত্রীর অভিভাবককে জানাতে ভুলে যান।পরে বিষয়টি জানাজানি হলে ওই ছাত্রীর বাবা ৩০ মে মাদরাসায় এসে শহিদুল ইসলামকে মারধর করেন এবং তার মোবাইলের সিমটি নিয়ে যান। বিষয়টি জানতে পেরে চেয়ারম্যান মোস্তফা রাঢ়ি সালিশের নির্দেশ দেন। বুধবার সকাল ১০টার দিকে ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয়ে সালিশ বৈঠক বসে।সালিশ বৈঠকে উপস্থিত হলে আসামিরা শহিদুল ইসলামকে অকথ্য ভাষায় গালি দেন। এরপর জুতার মালা পরিয়ে স্টিমারঘাট বাজারে ঘোরান।

বাঁশখালী ছনুয়া টেকপাড়ায় নুরুল কাদের (মনু) কে পারিবারিক সূএের জেরে মারাত্মকভাবে আহত করে।তার চাচাতো ভাই নুর হোছেন ও তার ছেলেরা মিলে রাতে বিদ্যুৎ লাইট বন্ধ করে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে মাত্মকভাবে জখম করে।


আবার তোরা মানু হ । পাশবিক জীবন ছাড়। তুই একদিন বুড়া হবি। তোর পাশে পাবি না কাউকে। তোদের জন্যই আজ করোনা দীর্ঘস্থায়ী। পৃথিবীর এ অবস্থার পরি বর্তন না হলে যাবে না করোনা , যাবে না।

Leave a Reply

Your email address will not be published.