ভালবাসা দিবসের খাঁটি ইতিহাস

ইতিহাস হক কথা


খৃষ্টপূর্বকাল থেকেই রোম-পারস্য সংস্কৃতি এই পৃথিবীতে বিদ্যমান। বিশেষ করে রোমানদের আধিপত্য ছিল ব্যাপক। তাদের আধিপত্য বজায় রাখার জন্য আজ থেকে ১৭৫০বছর আগে যুদ্ধবাজ রোম সম্্রাট ক্লডিয়াস একটি শক্তিশলী সেনাবাহিনী গঠন করার বৃহত্ত পরিকল্পনা হাতে নেয়। নারীর সাথে সম্পর্ক, সাংসারিক জীবন ,পারিবারিক ঝামেলা সেনাসদস্যের যুদ্ধে অনিহার প্রধান কারন বিবেচনা করে সে। তাই নারীর সাথে সর্ম্পকে সেনাবাহিনীর জন্য নিষিদ্ধ ঘোষণা করে রোম স¤্রাট ক্লডিয়াস । ক্লডিয়াসের এক সেনা সদস্যের নাম ভ্যালেন্টিনা। ক্লডিয়াসের আইন অমান্য করে ভ্যালেন্টিনা গোপনে এক নারীর সাথে অবৈধ প্রেম ও শরিরীক সর্ম্পকে জড়িয়ে পরে। স¤্রাট বিষয়টি জানতে পেরে তার জন্য দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির আয়োজন করে। যাতে ভ্যালেন্টিনার শাস্তি দেখে এমন কাজ করার দুঃশাহস আর কেউ না করে। ২৭০ খৃঃ ১৪ই ফেব্রুয়ারী তারিখে দিবালোকে জনসম্মুখে তাকে মৃত্যুদন্ড দেওয়া হয়। উল্লেখ্য রোমান সংস্কৃতিতে এর আগে cupid নামে এক প্রেমদেবতার পূজা করা হতো ১৪ই ফেব্রুয়ারীতে। প্রেমদেবতার পুজার দিনে অবৈধ প্রেমিকের মৃত্যুদন্ড দিয়ে এক সৃতির ইতিহাস গড়ে তোলে ক্লডিয়াস। এই গঠনা ঘটার ২২৬ বছর পর ৪৯৬খৃষ্টাব্দে নারী লোভী খৃষ্টান পোপ গ্লাসিয়াম এই দিবসটিকে ভালবাসা দিবস ঘোষণা দেয়। আজ থেকে ৩০ বছর আগে ৯০ দশকের গোড়ার দিকে রসিক বুড়া শফিক রেহমান গোলাপ ফুল নামে টেলিভিশন অনুষ্ঠানের মাধ্যমে আমাদের বাংলা দেশে ভালবাসা দিবসের আমদানী ঘটায়। অবৈধ প্রেমের ঝুটি আর নারী লোভী রসিক লোকেরা এই অন্যায় দিবসটি লুফে নেয়। ইতিহাস মন্থনে আমরা যা বুঝলাম- এতে প্রমানিত হয় এটা মুসলিম সংস্কৃতি নয়, এমনকি বৈধ ভাল বাসার সংস্কৃও নয়। যারা এ দিবসের আমদানী করেছে তারাও সুস্থসংস্কৃতি লালনকারী লোক নয়। মুসলমান সন্তানদের এ দিবস থেকে সাবধান থাকা উচিত।

Leave a Reply

Your email address will not be published.