মহাসড়ক যেন ধান শুকানোর চাতাল

ভিন্ন খবর

ঠাকুরগাঁও জেলার পাঁচটি উপজেলায গ্রামে -গঞ্জে চলছে সড়কের উপর খড় শুকানো ও ধান মাড়াইয়ের কাজ এসব পাকা সড়ক পথে অনবরত চলছে বাস, ট্রাক, মিনিবাস, মোটরসাইক্যাল ছাড়াও রিক্সা-ভ্যান এবং ইজিবাইক চালকরা সর্বক্ষণ দুর্ঘটনার আতঙ্কের মধ্যে জীবনের ঝুঁকি নিয়েই চলাচল করছে। শুধু তাই নয়, কোনো কোনো পাকা সড়কে ধান মাড়াইয়ের কাজ পর্যন্ত করা হয়। পাকা সড়কে যানবাহন চলাচলে চরম অসুবিধা সৃষ্টি করে এবং দুর্ঘটনার যথেষ্ট আশঙ্কা থাকা সত্ত্বেও এই বেআইনি কাজ করছেন অনেকেই।

পাকা সড়কে ধান শুকাচ্ছেন এমন কৃষকেরা জানান, এই বোরো মৌসুমে বাড়ীতে কাঁচা মাটিতে ধান-খড় শুকাতে বেশি সময় লাগে। তা ছাড়া বৃষ্টি বাদল, ঝড়ে ক্ষতিও হয়। তাই তারা অত্যন্ত নিরাপদ এবং দ্রুত শুকানোর স্বার্থেই পাকা সড়কে ধান এবং খড় শুকিয়ে থাকেন। পথচারিরা বলেন, নিয়ম-কানুন তোয়াক্কা না করে সড়ক বন্ধ করে সড়কের উপর খড় শুকাচ্ছে স্থানীয় কৃষক-কৃষানীরা। পথচারিরা আরো বলেন, সড়কগুলো দেখলে মনে হয় চলাচলের জন্য সড়ক নয় এ যেন ধান ও খড় শুকানো ব্যক্তিদের পৈত্রিক সম্পত্তি। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ঠাকুরগাঁও জেলা পাঁচটি উপজেলায় বিভিন্ন ইউনিয়নের গ্রাম এলাকাগুতে সড়ক সহ উপজেলার বিভিন্ন সড়কে রাস্তায় চলমান সকল যানবাহন দূর্ঘটনার সম্মুখীন হয়ে ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করছে প্রতিনিয়ত এবং জীবনের ঝুঁকি নিয়ে কাজ করছেন কৃষক-কৃষাণী সহ কৃষক পরিবারের ছোট-ছোট শিশু বাচ্চারা। আবার রাস্তা সংকীর্ণ হওয়ার কারণে অনেক স্থানে যানজটেরও সৃষ্টি হচ্ছে।

দূর্ঘটনা এড়াতে এখনই কার্যকর পদক্ষেপ না নিলে যে কোন সময় ঘটতে পারে মর্মান্তিক দূর্ঘটনা। এই বিষয়ে প্রশাসনের সাথে যোগাযোগ করা হলে ঠাকুরগাঁও হরিপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার, মোঃ আব্দুল করিম মুঠোফোনে জানান, এইটি জনগণের ক্ষতি হয়েছে এতে কোনো সন্দেহ নেই আমরা একটা মাইকিং করেদিবো, কিছু মানুষ আছে যারা রাস্তায় খড় শুকানো কাজ করছেন। উল্লেখ যে ছবিতুলা হয়েছে ঠাকুরগাঁও জেলা হরিপুর উপজেলা চৌরঙ্গী এলাকা থেকে। এছাড়াও বালিয়াডাঙ্গী উপজেলার মহাসড়কে ধান মাড়াই ও ধান শুকানো, খড় শুকানো কাজ চলছে। ঠাকুরগাঁও জেলার সদর উপজেলা সহ বিভিন্ন গ্রামের রাস্তায় ও আঞ্চলিক সড়ক সহ সকল রাস্তায় ভুটা, ধান- ধানের খড় শুকানো- মাড়াই করার ফলে সড়ক দূর্ঘটনা ঝুঁকি আছে। সূত্রঃ সকালের সময়।

Leave a Reply

Your email address will not be published.