মিজানুর রহমান আজহারীর ভ্রান্ত চিন্তাগুলো কি? কেন? ও কীভাবে?

আমাদের ইসলাম প্রতিধ্বনি ভিন্ন খবর হক কথা


একজন আলেম জাতিকে সঠিক কথা বলে সঠিক পথে পরিচালনা করবেন এটাই তার দায়িত্ব। কিন্তু তিনি যদি উম্মতের স্বরলতার সুযোগে ভ্রান্ত আকিদা চিন্তা চেতনা দিয়ে উম্মতকে উন্মাদ বানান তাহলেতো আমরা আর নিরব থাকতে পারি না। মিজানুর রহমান আজহারী বেশ কিছু কথা ও কাজে হক্কানী ওলামাদের বিরুদ্ধের মতাদর্শ প্রকাশ ও প্রচার করেছেন। তার বিষয়গুলো গভীর ভাবে মন্থন করলে উপলুব্ধ হয় যে তিনি ভ্রান্ত আকিদার প্রচার করছেন। কিকি আকিদা কীভাবে ভ্রান্তিতে গেল, আর তিনিওবা কেন এমনটি করলেন? আসুন আমরা তার বক্তব্যগুলো একটু মন্থন করে পরিষ্কার হয়ে নেই। আমার জানা ১২টি বিষয় বিশ্লেষণ করছি-
১। নবীজীকে সিক্স প্যাক বলা।
নবীজীকে সা. সিক্সপ্যাক বলে আজহারী বোঝাতে চেয়েছেন নবীজীর সা. শারীরীক ফিটন্যাস। তবে তিনি এভাবে না বলে অন্যভাবে বোঝাতে পারতেন। এটা জিমন্যাস্টিকদের পরিভাষা। যেমন, পানির বাংলা প্রতি শব্দ হলো জল, আমরা পানিকে জল বলি না, কারন এটা হিন্দুদের পরিভাষা। যেনতেন পরিভাষা নবীর শানে এমনকি সম্মানিত কোন ব্যক্তির শানে ব্যবহার করা যায় না, যদিও উদ্দেশ্য ভালো হয়।২। খাদীজা রা. কে বুড়ি মহিলা, ভার্জিন নয়, ইনটেক নয় বলা।
খাদীজা রা. কে বুড়ি মহিলা, ভার্জিন নয়, ইনটেক নয় বলে আজহারী বুঝাতে চেয়েছেন, তিনি বয়স্কা,বিধবা ছিলেন। এসব পরিভাষা একজন সম্মানিত ব্যক্তির সর্ম্পকে ব্যবহার করা যায় না। যেমন কোন সম্মানিত ব্যক্তিকে যদি বলেন আপনি গরু-ছাগল নন। বাস্তবেই তিনি গরু-ছগল নন , তবুও এটা তার সম্মান হানী হয়। কিছু দিন আগে মাওঃ আমীর হামজা এক বয়ানে বলে ছিলেন হযরত আবু বকর রা. আমাদের মতো গরু-ছাগল ছিলেন না। আমির হামজার এ কথাটি বলাও ঠিক হয় নি। আমাদের যেনে রাখা দরকার আজহারী ও আমির হামজা একই মতাদর্শের অনুসারী। বোঝাই যায় এই আদর্শের অনুসারীরা প্রায়ই এমন হীন পরিভাষা ব্যবহার করে থাকেন। তাদের আদর্শটা কি? এই ব্যাপারে একটু পরেই আলোচনা করবো।
৩। নারীর চেহারা পর্দা নয় বলা।
নারীর চেহারা পর্দার অর্ন্তভূক্ত কি না এটা বোঝার আগে আমাদেরকে জানতে হবে যে নারী এবং পুরুষের ছতর ভিন্ন। নারীর ছতরের হুকুম পুরুষের ছতরের চেয়ে ভিন্ন প্রকৃতির। পুরুষের ছতর নাভী থেকে হাটু পর্যন্ত। কোন মানুষের সাথে সাক্ষাত হউক বা না হউক সকল অবস্থাতেই পুরুষের একই ছতর। ছতর অনাবৃত হলে কবিরা গুনাহ হবে। নারীর ছতর পুরা শরীর। তবে বিধানটা একটু ভিন্ন। কোন পর পুরুষের সাথে সাক্ষাত হলে নারীর ছতর পুরা শরীর- হাত, পা, চেহারাসহ। আর পর পুরুষের সাথে সাক্ষাত না হলে হাত,পা, চেহারা ছতর নয়। সুতরাং পরপুষের সাথে সাক্ষাত না হলে নারীর চেহা, হাত , পা খোলা রাখলে গুনাহ হবে না। বোঝাই যায় পর পুরুষের সাথে সাক্ষাত হওয়া না হওয়ার উপর নারীর ছতরের ভিন্নতা রয়েছে। আজহারী হয়তো বিষয়টি বোঝেন নি, নয়তো বুঝেও তিনি জাতিকে বিভ্রান্ত করার জন্য এমনটি বলেছেন।
৪। নামাজে কুরআন দেখে পড়া জায়েজ বলা।
নামাজে কুরআন শরীফ দেখে পড়ার প্রতি নিষেধজ্ঞা বহু হাদিস দ¦ারা প্রমাণিত। আজহারী সাহেব কোত্থেকে এই কথা বললেন তা আমাদের জানা নেই। তবে একটি বিষয় আমরা জানি পৃথিবীতে কোন ভ্রান্তমতাদর্শী কুরআনে হাফেজ হয় না। মওদুদী, জাকির নায়েক, আজহারীদের মতো আরও অনেকে। পন্ডিত হতে পারে কিন্তু কুরআনে হাফেজ হতে পারে না; কারন কুরআনে হাফেজরা ভ্রান্তমতাদর্শী হয় না। আমরা ইতিহাস মন্থন করে যা পেয়েছি পৃথিবীর ইতিহাসে কোন ভ্রান্ত আকিদার লোকই কুরআনে হাফেজ পাওয়া যায় না। তাদের এই দূর্বলতাকে শক্তি বানানোর কৌশল হিসেবে নামাজে কুরআন দেখে পড়ার বৈধতা তালাশ করেন। কয়েক দিন আগে আমির হামজার ঈদের জামাতের ইমামতি হয়তো আপনারা দেখেছেন, কত কষ্ট করে নামাজে কুরআন তেলাওয়াত করেছেন; চেহারা দেখে মনে হয়েছে কুরআন তেলাওয়াত তার কাছে তিতা তিতা লাগছে।তিনি কুরআন অশুদ্ধ পড়েছেন, কেরাতের মাঝে আটকে গেছেন, শেষ রাকাতে সুরায়ে আছরের মতো ছোট একটি সুরা দিয়ে ঈদের নামাজ পড়িয়েছেন। তাদের সামনে কুরআন খুলে দিলেতো একদম খারাপ হতো না। আজহারী আর আমির হামজা একই গাছের দুটি ফল।
৫।রিক্সাওয়ালার রোজা রাখার প্রয়োজন নেই বলা।
রিক্সা ওয়ালাদের প্রতি আজহারীর দরদের শেষ নেই। আল্লাহর চেয়ে আজহারী বেশী দরদী । আল্লাহ মাফ করলেন না; তিনি রোজা মাফ করে দিলেন । তার পূর্ব পুষের কেউ রিক্সা চালাতেন কি না জানি না। নয়তো শুধু রিক্সা ওয়ালাদের প্রতি এতো দরদ কেন? বাংলা দেশে এর চেয়ে বেশী কস্টের খাটুনী খেটে জীবীকা উপার্জনের লোকের অভাব নেই তার পরেও তাদের রোজা মাফ হলো না; হলো শুধু রিক্সাওয়ালার।
৬। জুমার নামাজ বাড়িতে জায়েজ আছে বলা।
বাড়িতে জুমার জামাত জায়েজ থাকলে; আজকাল যেমন কথায় কথায় মসজিদ হয়ে যায়।বাড়ির দ্বন্দে মসজিদ কমিটি থেকে বের হয়ে আলাদা মসজিদ। কথার একটু গড় মিল হলেই আলা মসজিদ। যথা অযথা নতুন নতুন মসজিদ বানানোর যে উৎসব দেশ ব্যাপী চলছে; এহেন পরিস্থিতে তিনি যদি বলেন ‘জুমার নামাজ বাড়িতে জায়েজ ’ তাহলে সামাজিকতা আর থাকবে কোথায়? জুমার মুল উদ্দেশ্য হলো সামাজিক বন্ধন। ইসলামের এই সামাজিক বন্ধনের উৎসকে জবাই করে তিনি কীভাবে এমন ফতোয়া দিয়ে থাকেন? আরও একটি বিষয় আপনাদের জানা থাকা দরকার যে, ইসলাম ধর্মে যে কারও ফতোয়া দেওয়ার অধিকার নেই; ফতোয়ার জন্য মুফতি হতে হয়। আজহারী সাহেব উচ্চশিক্ষিত মেনে নিলেও তিনি মুফতি নন। ফলে কোন বিধানের ফতোয়ার অধিকার তিনি রাখেন না। যারা আজহারীকে উচ্চ শিক্ষিত ভেবে ইসলামের কর্নধার বানিয়ে নিয়েছেন; তাদের যেনে রাখা দরকার বাংলাদেশে বর্তমানে তার মতো উচ্চ শিক্ষিত লোকের অভাব নেই। তবে তারা তার মতো অযথা মাতামাতি না করার কারনে হয়তো অনেকেই তাদেরকে চিনেন না।
৭। তারাবির নামাজ ৮ রাকাত বলা।
হানাফী মাজহাবে তারাবী ২০ রাকাতের স্পষ্ট প্রমান থাকার পরেও তিনি কি উদ্দেশ্যে অন্য মাজহাবের মতামত নিয়ে টানা হেচড়া করেন তা আমাদের বোধগম্য নয়। রমজান মাসে বিশ রাকাত তারাবিতে ত্রিশ পারা কোরআন খতম হয় । যারা আট রাকাত পরেন তারা কখনই তারাবিতে কুরআন খতম করেন না। আমি আগেই বলেছি আজহারীদের মতো লোকেরা কুরআনে হাফেজ না থাকার কারনে তারা তারাবির ইমামতি করতে পারেন না। তাই তাদের ভেতরে এক ধরনের জ্বালা-পোড়া কাজ করে; সেই জ্বালায়ই তারা মূলত ৮ রাকাত তারাবির পক্ষে কথা বলে থাকেন বলে মনে হয়। ২০ রাকাতের পক্ষে নয়।
৮। তারাবির নামাজ নফল বলা।
তারাবির নামাজ নফ মানি ঐচ্ছিক বিষয়টি এমন নয়; বরং তারাবির নামাজ সুন্নতে মুয়াক্কাদাহ। তারাবির নামাজ ইচ্ছাকৃতভাবে অকারনে ছেড়ে দিলে গুনাহগার হবে। এমন একটি কঠিন ইবাদকে তিনি কী কারণে হালকা বানিয়ে দিলেন? আমরা হয়তো তা জানি না। তবে আমরা বুঝতে বাকি নেই যে তিনি উম্মতকে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করছেন। কেন তিনি এমনটি করছে? তার আলোচনা একটু পরেই লিখছি।
৯। ঈদের নামাজ বাড়িতে জায়েজ বলা।
হানাফি মাজহাব মতে ঈদের নামাজ বাড়িতে বা একাকী জায়েজ নয়। অথচ তিনি তা জায়েজ বলছেন। অযথাই তিনি উম্মতকে দ্বিধায় ফেলে দিচ্ছেন। ভ্রান্ত চিন্তা ছাড়া তিনি এমনটি করতে পারতেন না। হাজার বছর যাবত হয়ে আসা কার্যক্রমে তিনি নতুন আবিষ্কার করে তিনি নিজেকে বেশ শিক্ষিত প্রকাশ করতে চান। অনেক জান্তা প্রকাশ করতে চান এবং উম্মতকে দ্বিধায় ফেলতে চান। তবে তা কেন? একটু সামনেই তার আলোচনা করবো।
১০। আল্লা হালায়, নবী হালায় বলা।
কোন এক ঢাকাইয়া আলেমের ঢাকাইয়া ভাষায় ওয়াজের বিবরন দিতে গিয়ে তিনি উপরের ডায়ালগটি দিয়েছেন, যা আমি আর পুণঃ আবৃতি করতে চাই না। আসলেই কি কোন আলেম এমনটি বলেছেন কি না তা আমাদের জানা নেই। নাকি আজহারী নিজ থেকেই শ্রোতাদের বিনোদন দেওয়ার জন্য এমনটি বলেছেন। যদি তিনি বিনোদনের জন্য এমনটি করে থাকেন তাহলে তিনি দুটি অন্যায় করেছেন। প্রথমতঃ তিনি এজন আলেমের উদৃতি দিয়ে মিথ্যাপ্রচার করেছেন। দ্বিতীয়তঃ তিনি বানোয়াট আল্লাহ ও নবীর শানে অশোভন বাক্য প্রয়োগ করেছেন। আর যদি কোন ঢাকাইয়া বক্তা এমনটি বলেও থাকেন তাহলেও আজহারী তা অন্যভাবে ঘুরিয়ে না বলে সরাসরি অশোভন বাক্য ব্যবহার করে অন্যায় করেছেন।
১১। স্টেজে এনে নারীকে মুসলিম বানানো।
নারীকে স্টেজে এনে ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করানোর যে নাটিকাটি তিনি করেছেন, তা অত্যান্ত অন্যায় করেছেন। যদি তিনি বলেন এ ব্যাপারে তার কোন হাত ছিল না, মাহফিল কতৃপক্ষ এমনটি করিয়েছেন বা নারী নিজ উদ্যোগে স্টেজে চলে এসেছে তাতেও আমাদের আপত্তি, তিনি বাধা দিলেন না কেন? নারীকে এভাবে জনসমুখ্যে উপস্থিত করে ইসলাম ধর্মগ্রহণ করিয়ে নিজের কৃতিত্ব প্রকাশ করেছেন। নারী ইসলাম ধর্মে দিক্ষিত করার পদ্ধতী এমন নয়। অন্যায়ের মাধ্যমে যার ধর্মের সূচনা হয়েছে সে কতটুকু ধর্মের উপর অটুট থাকবেন তা বলাই বাহুল্য।
১২। মুসলমানদেরকে হিন্দু পরিচয়ে মুসলমান বানানো।
একটি মুসলিম পরিবারকে হিন্দু পরিচয়ে স্টেজে এনে মুসলিম বানানোর যে নাটক তিনি রচনা করেছেন তা তার কাছে খুবই স্বাভাবিক হওয়ার কথা;কারন তার গুরু জাকির নায়েকও এমন অনেক নাটক-নাটিকা করেছেন। টাকা মাধ্যমে জাকির নায়েক তার অনুষ্ঠানে লোক সমাগমের নাটক বানিয়েছেন। টাকা দিয়ে মুসলিম বা হিন্দু পরিবারকে মুসলিম বানানোর নাটক করিয়েছেন। মুসলিম বাননোর একই চিত্র বারবার পিস টিভিতে প্রচার করে জাতিকে বুঝিয়েছেন তিনি অনেক অমুসলিমকে মুসলিম বানিয়েছেন। জাকির নায়েকের এমন নাটকের অভাব নেই। আজহারী এমনটি করেননি আমরা তা কীভাবে বুঝবো?
এবার আসুন আমরা জানবো কেন আজহারী উম্মতকে বিভ্রান্ত করার কাজগুলো করছেন? তার মতাদর্শিক জীবনের আলোচনা করলেই আমাদের কাছে বিষয়টি স্পষ্ট হয়ে যাবে তিনি কেন কী করতে চান?
আজহারী ছোট বেলা থেকে দীর্ঘ সময় পর্যন্ত লেখা পড়া করেছেন মওদুদী আকিদার প্রজনন কেন্দ্র আলিয়া মাদরাসায়। আলিয়া মাদরাসার প্রায়৯০%লোক মওদুদী আকিদা গ্রহণ করে থাকেন। যাদের রাজনৈতিক পরিচয় ছিল জামাতে ইসলাম নামে। আলিয়া মাদরাসার ১০%লোক হক্কানী মতাদর্শ গ্রহণ করে থাকেন। এই হিসেবে জাতি আলিয়ামাদরাসাকে জামাতের প্রজননকেন্দ্র মনে করে থাকে। আমার মনে হয় আজহারী মওদুদী আকিদা গ্রহণ করে নিয়েছেন বা তাদের দ¦ারা প্রভাবিত হয়েছেন। মওদুদী আকিদা এটি একটি ভ্রান্ত আকিদা। যাদেরকে জন্ম দিয়েছে বৃটিশরা। ইসলামের আদলে ইসলামের প্রতিদ্বন্দি তৈরী করার হীন মানসে। ফাঁক ফোকর খুঁজে ইসলামের সুক্ষ¥ বিষয়ে মতপার্থক্যতৈরী করাই তাদের প্রদান লক্ষ্য।
উচ্চ শিক্ষার জন্য আজহারী যে প্রতিষ্ঠানের দ্বারস্থ হয়েছেন সেটি কোন মাদরাসা নয়; বিশ্ববিদ্যালয়। আল আজহার বিশ্ববিদ্যালয়। যে বিশ্ববিদ্যালয়টি সালাফী, লা-মাজহাবী বা গাইরে মুকাল্লেদ (আমাদের দেশে যারা আহলে হাদিস নামে পরিচিত) তাদের দ্বারা প্রভাবিত। তাদের কাজ হলো সকল ক্ষেত্রে হানাফি মাজহাবের বিরুধিতা করা, হানাফি মাজহাবকে হেনস্তা করা ও হানাফি মাজহাবকে বিভ্রান্তিতে ফেলা। আজহারীর আচার আচরনে, কথায় কাজে সালাফী প্রভাবে প্রভাভিত বলে মনে হয়। মওদুদী আকিদা আর সালাফী আদিদার মৌলিক কার্যক্রম একই কক্ষপথের গ্রহ। সালাফী তথা আহলে হাদিস গুরু নিজ দেশ থেকে নির্বাসিত হয়ে মালয়শিয়ায় আশ্রিত। আজহারীও নিজ দেশ থেকে নির্বাসিত হয়ে মালয়শিয়ায় আশ্রিত। গুরু শিষ্যের যেন একই ঠিকানা। অন্য দিকে হক্কানী তাবলীগ থেকে বেরিয়ে নিজের মনচাহি তাবলিগ জামাত চালিয়ে ভ্রান্ত পথে এগিয়ে চলা সাদ কান্ধলবী শেষবার যখন ২০১৮সালে নিজ দেশ থেকে বিশ্বইজতিমায় আসতে বাধাপ্রাপ্ত হন, তখ তিনি মালয়শিয়ায় আশ্রনিয়ে সেখান থেকে ঢাকায় আসেন। তবে তিনি সেবার ইজতিমায় অংশগ্রহণ করতে না পেরে দেশে ফিরে যান। এখানে আমাদের জেনে রাখা দরকার যে মালয়শিয়া হলো ভ্রান্ত মতাদর্শের আশ্রয় কেন্দ্র একটি দেশ। আপনি যদি কননো ভ্রান্ত পথের পথিক হয়ে পৃথিবীর কোথাও আশ্রয় না পেলেও আপনার জন্য মালয়শিয়া আশ্রয় কেন্দ্র খোলা।
কাউকে কটাক্ষ, হেয় ,হীন করা আমার উদ্দেশ্য নয়। যে কেউ দ্বীনের জন্য কাজ করার অধিকার রাখে। জাকির নায়েক, আজহারী, সাদ কান্ধলবী, মওদুদূূূী যে কেউ ইসলামের কাজ করতে পারে। তবে উম্মতকে কেউ বিভ্রান্ত করতে চেষ্টা করলে সে আমার ঘরের লোক হলোও তার রেহাই নেই। আমরা তার বিরুদ্ধে রুখে দাড়াবোই। উম্মতকে রক্ষা করা আমাদের ঈমানী দায়িত্বের অংশ।

Leave a Reply

Your email address will not be published.