[১] জিলকদ মাসের গুরুত্ব ও আমল, পরকালেও যে কারণে আক্ষেপ করবে মানুষ

আমাদের ইসলাম হক কথা

জিলকদ মাসের অনেক গুরুত্ব ও ফজিলত রয়েছে। জাহেলি যুগেও জিলকদ মাসকে সম্মান করা হতো। ইসলামে যে চার মাসে যুদ্ধ বিগ্রহ করা নিষেধ ছিলো জিলকদ মাস তার অন্যতম। তা ছাড়া ঈদুল ফিতর (শাওয়াল মাস) ও ঈদুল আজহার (জিলহজ মাস) মাঝামাঝিতে জিলকদ মাসের অবস্থান হওয়ায় এই মাসটি অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ।রজব ও শাবান মাসে নফল রোজা পালন, রমজান মাসজুড়ে রোজা ও রাতে তারাবি আদায় শাওয়ালে ৬ রোজা রাখার পর পুনরায় ইবাদতের প্রস্তুতিতে নিজেকে প্রাণবন্ত করার মাস হলো জিলকদ। এ মাসের শক্তি সঞ্চার করে জিলহজ মাসের প্রথম ৯টি রোজা এবং মহররমের ১০টি নফল রোজা ও ইবাদতে অতিবাহিত করবে মুমিন।

হাদিস শরিফে আছে, পরকালে নেককার পরহেজগার দ্বীনদার লোকদের কোনো আক্ষেপ থাকবে না; তবে একটি বিষয়ে তাদের আক্ষেপ থাকবে, তা হলো যে সময়টা তারা ইবাদত ছাড়া কাটিয়েছেন, সেই সময়টার বিষয়ে তাদের অনুশোচনা থাকবে যে কেন তারা এই সময়টাও নেক আমল দ্বারা পরিপূর্ণ করলো না। তাহলে তারা আরও বেশি আল্লাহর নৈকট্য অর্জন করতে পারতেন।জিলকদ মাসের আমল: প্রতি মাসের মতো এই জিলকদ মাসের ১, ১০, ২০, ২৯ ও ৩০ তারিখে নফল রোজা পালন করা। চাঁদের ১৩, ১৪ ও ১৫ তারিখে আইয়ামে বিদের (আদি পিতা প্রথম নবী হজরত বাবা আদম আ.) সুন্নত রোজা রাখা। প্রতি সপ্তাহের প্রতি সোম ও বৃহস্পতিবার সুন্নতে নববি রোজা পালন করা। প্রতি শুক্রবার নফল রোজা রাখা।সলাতুত তাসবিহ এবং প্রতিদিন পাঁচ ওয়াক্ত নফল নামাজ (তাহাজ্জুদ, ইশরাক, চাশত বা দুহা, জাওয়াল ও আউওয়াবিন) পড়া। বেশি বেশি কোরআন তিলাওয়াত করা এবং বেশি বেশি নফল নামাজ পড়া। দান-খয়রাত বেশি বেশি করা। জিলহজ মাসের ৯টি সুন্নত রোজা ও মহররম মাসের ১০টি রোজার প্রস্তুতি হিসেবে এই মাসে কিছু হলেও নফল রোজা করা। হজের প্রস্তুতি গ্রহণ করা এবং কোরবানির প্রস্তুতি নেওয়া। সূত্রঃ আমাদের সময়।

Leave a Reply

Your email address will not be published.