সংক্ষিপ্ত হজের ধারনা

হজ জীবনে যতবার করবো, করার মতো করবো-

   হজের জন্য তিন জিনিসের প্রয়োজন- 

১। ভালোবাসা। ২। সক্ষমতা। ৩। ধৈর্য্য

                সংক্ষেপে হজ

হজ—–শাব্দিক অর্থ: ইচ্ছা করা-
পারিভাষিক অর্থ: নির্দিষ্টস্থানে, নির্দিষ্ট দিনে, নির্দিষ্ট কাজ করাকে
হজ বলে।

৩মাসের ভিতর ৪ জায়গায় ৫ দিনে ৯ কাজ করা হলো হজ্জ

হজের মাস ৩টি- শাওয়াল, জি¦লকাদাহ, জ্বিল হিজ্জাহ।
হজের স্থান- ৪টি- মিনা, আরাফা, মুজদালফা, মক্কা।
হজের তারিখ-৫টি-(জিলহজ্জ মাসের) ০৮,০৯,১০,১১,১২ তারিখ।

হজের ফরজ-৩টি-
১। ইহরাম, ২। আরাফাহ, ৩।তাওয়াফ।

হজের ওয়াজিব-৬টি-
১। মুজদালফার অবস্থান
২। জামারয় কংকর
৩। সাফা মারওয়া সাঈ
৪। কুরবানী
৫। হলক
৬। তাওয়াফে বিদা।

হজ ৩ প্রকার
১। ইফরাদ ২। কিরান ৩। তামাত্তু

১। ইফরাদ- একই সফরে একই ইহরামে শুধু হজ করা।

২। কিরান- একই সফরে একই ইহরামে আগে ওমার পরে
হজ করা।

৩। তামাত্তু- একই সফরে দুই ইহরামে ওমরা ও হজ করা।
প্রথম ইহরামে ওমরা করে-হজের তারিখ আসলে
আবার ইহরাম পড়ে হজ করা।

তাওয়াফ ৫ ধরনের-
১। তাওয়াফে কুদুম / তাহিয়্যা/ আফাকী
(মীকাতের বাইরের হাজীদের জন্য ওয়াজিব)

২। তাওয়াফে জিয়ারাহ / ইফাজাহ
(হজের ফরজ তাওয়াফ)

৩। তাওয়াফে নফল
(যে কেউ যেকোন সময় তাওয়াফ করতে পারে)

৪। তাওয়াফে নজর বা মান্নত।
(মান্নতকারীর তাওয়াফ আদায় করা ওয়াজিব)

৫। তাওয়াফে ওমরাহ
(ওমরাহ পালনকারীর ফরজ তাওয়াফ)

৬। তাওয়াফে বিদা/সদর
(মীকাতের বাইরের হাজীদের জন্য ওয়াজিব)

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *